মৌলভীবাজারে পুলিশ কনস্টেবলের ডিএনএ নমুন সংগ্রহ করবে পিবিআই

সন্তানের পিতৃপরিচয় নির্ধারণ

মৌলভীবাজারে পুলিশ কনস্টেবলের ডিএনএ নমুন সংগ্রহ করবে পিবিআই

নিজস্ব প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার

৩০/০৬/২০২৬ ১৩:৫৮:৫৯

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

মৌলভীবাজারে সন্তানের পিতৃপরিচয় ও সামাজিক স্বীকৃতির দাবিতে দায়ের করা মামলায় এক নারী, তাঁর শিশুসন্তান ও অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবলের ডিএনএ পরীক্ষা করা হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাঁদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করবে।


আদালতের নির্দেশে পিবিআই মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয় এই মামলার তদন্ত করছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আজ ভুক্তভোগী নারী, তাঁর শিশুসন্তান এবং অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল মৃণাল কান্তি দাশের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে। পরীক্ষার ফলাফলের মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্বের বিষয়টি বৈজ্ঞানিক উপায়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে, যা মামলার তদন্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।


মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল (মৌলভীবাজারের রাজনগর থানার সাবেক মুন্সি) মৃণাল কান্তি দাশের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করেন এক নারী। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য পিবিআই মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন।


অভিযোগে ওই নারী উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত মৃণাল কান্তি দাশ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে তিনি গর্ভবতী হন এবং একটি সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু সন্তান জন্মের পর মৃণাল কান্তি ওই শিশুকে নিজের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ভুক্তভোগীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তানের আইনি অধিকার ও সামাজিক স্বীকৃতি না পেয়ে অবশেষে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।


পিবিআই সূত্র জানিয়েছে, মা, শিশু ও অভিযুক্ত—এই তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন, সংগৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

মীর্জা ইকবাল

মন্তব্য করুন: