শাল্লায় স্কুলের ৪৯% জায়গা বেদখল, নতুন ভবন নির্মাণ বন্ধ

শাল্লায় স্কুলের ৪৯% জায়গা বেদখল, নতুন ভবন নির্মাণ বন্ধ

নিজস্ব প্রতিনিধি, শাল্লা

০৪/১২/২০২৫ ২১:৩৭:০২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

উপজেলা সদর ইউপির অন্তর্গত আঙ্গারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৯ শতাংশ জায়গার মধ্যে মাত্র ৭শতাংশ জায়গা স্কুলের দখলে আছে। বাকি ৪২শতাংশ জায়গা দখল করে নিয়ে গেছে স্কুলের প্রতিবেশিরা। ফলে জায়গা সংকটের কারণে স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণ করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের পুরনো ভবনে ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীদের। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের ক্যাচম্যান্ট এরিয়াভুক্ত আঙ্গারুয়া ও নোয়াগাঁওবাসীর পক্ষ থেকে ১১৬ জন স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে দেয়া হয়।


অভিযোগে উল্লেখ করা হয় ৪০ নং জেএল, সংক্রান্ত সুখলাইন মৌজার আরএস ১৩৩৯ নং দাগের ০.১৭ একর ভূমির মধ্যে ০.১২ একরভূমি বিদ্যালয়ের নামে হাল রেকর্ড বিদ্যমান রয়েছে এবং ওই মৌজার হাল রেকর্ডের ১/১ নং খতিয়ানে দেখা যায় আরএস ১৩৩৮ নং দাগেের সাকুল্যে ০.৩৭ একর ভূমিতে আঙ্গারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি অবস্থিত। বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডিয় ও দখলিয় বর্নিত দু'টি দাগের ০.৪৯ একর ভূমির সঠিক সীমানা নির্ধারণ করে বেদখলকৃত ভূমি বিদ্যালয়পর দখলে আনতে চায় একালাবাসী। 



এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিজিত তালুকদার বলেন, বিদ্যালয়ের ৪৯ শতাংশ জায়গার মধ্যে মাত্র ৭শতাংশ বিদ্যালয়ের দখলে আছে। যার কারণে নতুন ভবন নির্মাণ করা যাচ্ছে না। সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়েও এমন দৃশ্য দেখা যায়। তবে দখলদার প্রতিবেশীদের কাউকে পাওয়া যায়নি। এবিষয়ে আঙ্গারুয়া গ্রামের সুরঞ্জিত দাস বলেন, বিদ্যালয়ের বেদখলকৃত জায়গা উদ্ধারের জন্য দখলদার ব্রজেন্দ্র দাস ও দ্বীপক দাসও এলাকাবাসীর সাথে অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেন। 


এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা তাপস কুমার রায় জানান, বিদ্যালয়ের ভূমি উদ্ধারের জন্য এলাকাবাসীকে অভিযোগ করার পরামর্শ আমরাই দিয়েছি। আমরাও চাই বিদয়ালয়ের জায়গা উদ্ধার হোক। 


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন অভিযোগ পেয়েছি। বিদ্যালয়ের জায়গা বেদখল হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান তিনি। 


উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাজু মিয়া বলেন জায়গা সমস্যার কারণে অনেক স্কুলে নভুন ভবন নির্মাণ করা যাচ্ছে না। আঙ্গারুয়ার পাশাপাশি উপজেলার লক্ষীপাশা সপ্রাবি, উত্তরশশারকান্দা, কলিমপুর, শেখহাটি, আগুয়াই সপ্রাবিতেও জায়গা সমস্যা রয়েছে বলে জানান তিনি।


প্রীতম দাস

মন্তব্য করুন: