যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর কেইশা ল্যান্স বোটমস

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর কেইশা ল্যান্স বোটমস

প্রথম ডেস্ক

০৪/১১/২০২৬ ১১:২০:১৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী কেইশা ল্যান্স বোটমস। দেশটির ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী হিসেবে গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

আটলান্টার সাবেক এই মেয়র নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধনকুবের রিপাবলিকান প্রার্থী রিক জ্যাকসনকে পরাজিত করে এ সাফল্য অর্জন করেন। খবর আলজাজিরার।

জর্জিয়ার জনপ্রিয় বিদায়ী রিপাবলিকান গভর্নর ব্রায়ান কেম্পের স্থলাভিষিক্ত হতে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন রিক জ্যাকসন। প্রচারণায় নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ২০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় করেন তিনি।

বিপুল অর্থ ব্যয় করে নির্বাচনি মাঠে শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কেইশা ল্যান্স বোটমসের কাছে পরাজিত হন এই ধনকুবের ব্যবসায়ী।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বোটমসের বিজয়ের পেছনে জর্জিয়ার বিপুলসংখ্যক কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নির্বাচনের আগাম ভোটগ্রহণের সময় থেকেই কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তারা ব্যাপক সংখ্যায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা বোটমসের নির্বাচনি সাফল্যে বড় প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে নির্বাচনি প্রচারণার সময় রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছ থেকে নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হয় বোটমসকে। বিশেষ করে আটলান্টার মেয়র থাকাকালে শহরটিতে অপরাধের মাত্রা বেড়ে গিয়েছিল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছিল-এমন অভিযোগ সামনে এনে তার বিরুদ্ধে প্রচার চালায় রিপাবলিকান শিবির।

এ বিষয়ে সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বোটমস বলেন, আটলান্টাকে একটি অত্যন্ত খারাপ শহর হিসেবে তুলে ধরার যে চেষ্টা করা হচ্ছে, সেটি নতুন কোনো কৌশল নয়; বরং বহু আগে থেকেই এ ধরনের প্রচারণা চলে আসছে।

কেইশা ল্যান্স বোটমসের এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে জর্জিয়ায় টানা তৃতীয়বারের মতো গভর্নর পদে একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারীকে মনোনয়ন দিল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। এর আগে ২০১৮ ও ২০২২ সালের গভর্নর নির্বাচনে দলটির প্রার্থী স্টেসি আব্রামস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে দুই নির্বাচনেই রিপাবলিকান প্রার্থী ব্রায়ান কেম্পের কাছে পরাজিত হন তিনি।

রত্না বাউরী/প্রসি-২৬

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad