সুনামগঞ্জের মিয়ারচর খেয়াঘাটের দুই পক্ষের উত্তেজনার অবসান
সুনামগঞ্জ জেলার বিশম্ভরপুর ও তাহিরপুর উপজেলার দুই পাড়ের খেয়াঘাটের দখল নিয়ে অবশেষে উত্তেজনার অবসান হয়েছে।
দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বী হাজী তারা মিয়া ও বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম সিকদার ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থতায় এই বিরোধের অবসান ঘটে। ইজারাদার দুই পক্ষের কেউ আজ সোমবার থেকে খেয়াঘাটের টোল আদায় থেকে বিরত থাকবে। পরে দুই পক্ষের মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকৃত ইজারাদার কে সমঝিয়ে দেয়া হবে। আর আপাতত হাজী তারা মিয়া চেয়ারম্যান এর নিযুক্ত লোকজন টোল আদায় করবে। এই টাকা জমা থাকবে পরবর্তীতে যে বৈধ ইজারাদার তাকে এই টাকা দেয়া হবে। এই প্রস্তাব উভয় পক্ষই মেনে নিয়েছেন। এর আগে বাদাঘাট বাজারে বাদাঘাট বণিক সমিতির উদ্যোগে এলাকাবাসীর হয়রানীর প্রতিবাদে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশাসনের প্রতি ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়া হয়েছিল উদ্ভূত পরিস্থিতির সমাধানের।
বেশ কিছুদিন ধরেই সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ থেকে খেয়াঘাটের ইজারা প্রাপ্ত হয়েছেন দাবী করেন আব্দুল ওয়াহিদ গং। আবার শ্রীপুর দেবোত্তর এস্টেট এর কাছ থেকে শিশির আহমদ গং ইজারা প্রাপ্ত হয়েছেন দাবী করে দুই পক্ষ দুই পাড়ে টোল আদায় করে আসছিলেন। এতে দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন।
লতিফুর রহমান রাজু/ ডিডি
মন্তব্য করুন: