মাধবপুরের আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

মাধবপুরের আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ

০৮/০৮/২০২৬ ১৪:৩৭:০২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্টান আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এর আগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। 

লিখিত অভিযোগ জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে পরীক্ষার ফি, শিক্ষার্থীদের বেতনের টাকা আত্মসাত, এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরনে অতিরিক্ত ফি আদায়, প্রশংসাপত্র বাবদ আদায়কৃত অর্থ আত্মসাত, ভুয়া বিল ভাউচার তৈরী করে অর্থ আত্মসাত এর অভিযোগ এনে

মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। 

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা  এবং প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষা (২০২৬) সাল এর ফি ও মাসিক বেতন ওয়েব সাইটের মাধ্যমে পরিশোধ করার জন্য যথা সময়ে প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের নিকট নগদ অর্থ জমা দেওয়া হয়, কিন্তু শিক্ষার্থীদের আইডি অনলাইনে চেক করে দেখা যায় ফ্রি ও বেতন বকেয়া হিসাবে দেখা যাচ্ছে। 

অপরদিকে ২০১৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৩ বছর যাবত এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরন বাবদ শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ফি এর চেয়ে অতিরিক্ত ফি  আদায় করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত অর্থ ব্যাংকে জমা না দিয়ে নিজে আত্মসাত করেছেন। 

অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, ২০১৪ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১২ বছরে শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্র বাবদ ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা আদায় করা হলেও সেই টাকা প্রতিষ্টানের তহবিলে জমা দেওয়া হয়নি। তাছাড়া বিদ্যালয়ের বিভিন্ন টাকা ভুয়া ভাউচারে খরচ দেখিয়ে বিপুল পরিমান টাকা আত্মসাত করেছেন প্রধান শিক্ষক। 

সম্প্রতি প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা। 

এই বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এই সব অভিযোগ সত্য নয়। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুলো উর্ধতন কতৃপক্ষ  তদন্ত করে দেখেছেন কোন সত্যতা পাননি তারা। 

মাধবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।




রাজীব দেব রায় রাজু /রত্না বাউরী

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad