এক বছরের শিশুকে গুলি করে হত্যা, পুলিশ কর্মকর্তার পদত্যাগ

এক বছরের শিশুকে গুলি করে হত্যা, পুলিশ কর্মকর্তার পদত্যাগ

প্রথম ডেস্ক

২৪/১০/২০২৬ ১৬:০৬:৪৮

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে এক বছরের শিশু কোহেন উইলিকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর থেকে এ হত্যাকাণ্ডকে বলপ্রয়োগ বলে উল্লেখ করে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সেনাটোব্যা শহরের এক কর্মকর্তা তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে কেন ফস্টার পদত্যাগ করেছেন, তা জানানো হয়নি। তার আইনজীবী মার্টিন জুমাখ বলেন, শহর ও পুলিশ বিভাগের স্বার্থে এবং পরিস্থিতি থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার সুযোগ দিতে ফস্টার পদত্যাগ করেছেন।

আইনজীবীর দাবি, ফস্টার জানতেন না গাড়ির ভেতরে কোনো শিশু রয়েছে। গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা দোকান থেকে চুরির সন্দেহে পালাচ্ছিলেন, সেটিও তিনি জানতেন না বলে দাবি করেন আইনজীবী।

গত ১৪ জুন স্থানীয় একটি ওয়ালমার্ট দোকানে চুরির অভিযোগের তদন্তে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা দুই নারী ও একটি শিশুকে গাড়িতে করে চলে যেতে দেখেন। মিসিসিপি তদন্ত ব্যুরোর ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করলে চালক এক কর্মকর্তার দিকে গাড়ি এগিয়ে দেন। তখন এক কর্মকর্তা গুলি চালান। পরে গাড়িতে থাকা কোহেনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়। আরেকজন গুরুতর আহত হন।

তবে শিশুটির মা ভেলেসিয়া উইলি পুলিশের এই ঘটনার বিবরণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তার দাবি, তারা শিশুর জন্য ডায়াপার কিনতে দোকানে গিয়েছিলেন। গাড়িতে ওঠার পর পুলিশ এগিয়ে এলে তিনি শিশুকে তুলে ধরে দেখানোর চেষ্টা করেন, যাতে কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন গাড়িতে শিশু রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মিসিসিপি জননিরাপত্তা বিভাগ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার দেহে থাকা ক্যামেরার ধারণ করা ভিডিও প্রকাশ করে। ভিডিওতে দেখা যায়, দুই নারী—যাদের একজনের কোলে শিশু ছিল—দৌড়ে গাড়িতে ওঠেন। এরপর পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা অস্ত্র তাক করে গাড়িটির কাছে যান। গাড়িটি পেছনে যাওয়ার সময় পাশের একটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। পরে গাড়িটি সামনে এগোলে এক কর্মকর্তা সরে যাওয়ার সময় গুলি চালান। গুলিতে সামনের যাত্রীর পাশের জানালা ভেঙে যায় এবং গাড়িটি ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায়।

ঘটনাটি মেমফিস শহরের প্রায় ৪০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত ছোট শহর সেনাটোব্যায় ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়। শহরটির কৃষ্ণাঙ্গ বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশের হয়রানি নিয়ে অভিযোগ করে আসছেন।


পূজা বাড়াইক/প্রসি-২৬

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad