বাউফলে পরকীয়া করতে গিয়ে মারধরের শিকার জামায়াত নেতা
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জামায়াতের এক স্থানীয় নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত ফারুক হোসেন প্যাদা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি।
স্থানীয়দের দাবি, এক গৃহবধূর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ তুলে কয়েকজন ফারুক হোসেনকে আটকে মারধর করেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন। তার ভাষ্য, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির কয়েকজন পূর্ববিরোধের জেরে তার ওপর হামলা চালিয়েছেন। এ সময় তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আগে থেকেই তাদের সঙ্গে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করেই আমাকে পরিকল্পিতভাবে মারধর করা হয়েছে এবং আমার নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’
অন্যদিকে অভিযুক্ত গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগমের দাবি, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন এবং টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখাতেন। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও তিনি কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রত্না বাউরী
মন্তব্য করুন: