জাকির-সিরাজের নেতৃত্বে সোনালী ব্যাংক সিবিএর নতুন কমিটি
সোনালী ব্যাংক সিবিএ (বি-৬৬৪)-এর নবগঠিত ৩০ সদস্যের কমিটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটি। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে অনুমোদন ও প্রত্যয়নপত্র হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে নতুন কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
নবগঠিত কমিটিতে মো. জাকির হোসেনকে সভাপতি এবং মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনের পর সোনালী ব্যাংক সিবিএর নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
কেন্দ্রীয় কমিটির স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে নতুন নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সাংগঠনিকভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে নতুন কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দের প্রত্যাশা, সভাপতি মো. জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ের পাশাপাশি তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরবেন তারা।
নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিকে সংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হিসেবে দেখছেন নেতা-কর্মীরা। তাদের মতে, কেন্দ্রীয় অনুমোদনের ফলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিতভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে সদস্যদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার বিষয় যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও নতুন নেতৃত্ব ভূমিকা রাখতে পারবে।
এদিকে নতুন কমিটিকে ঘিরে সোনালী ব্যাংক সিবিএর সাধারণ সদস্যদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার, কল্যাণ ও স্বার্থ রক্ষায় নতুন নেতৃত্ব কী ধরনের উদ্যোগ নেয়, তা নিয়ে তাদের মধ্যে প্রত্যাশা রয়েছে।
সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা নবগঠিত কমিটির সাফল্য কামনা করেছেন। পাশাপাশি নতুন সভাপতি মো. জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কেন্দ্রীয় স্বীকৃতির পর নতুন কমিটি সোনালী ব্যাংক সিবিএকে আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী সাংগঠনিক অবস্থানে নিয়ে যেতে কাজ করবে। শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সংগঠনের ঐক্য ও সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়াই হবে নতুন নেতৃত্বের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
রত্না বাউরী/প্রসি-২৬
মন্তব্য করুন: