পুলিশের আশ্বাসে সিলেটে ১৯ মে’র পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

পুলিশের আশ্বাসে সিলেটে ১৯ মে’র পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

১৭/০৫/২০২৬ ২২:১২:১২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসের পর সিলেট বিভাগে আগামী ১৯ মে থেকে ডাকা অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। আজ রোববার (১৭ মে) রাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির এক জরুরি সভায় আগামী ৬ জুন পর্যন্ত এই কর্মসূচি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


এর আগে দুপুরে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর সঙ্গে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকনেতাদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।


সংগঠনের নেতারা জানান, সভায় পুলিশ কমিশনার আশ্বস্ত করেছেন যে কদমতলী বাস টার্মিনালের সংঘর্ষ ও জোড়া খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলা দুটি সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। প্রাথমিক তদন্তে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া গেলে কোনো শ্রমিকনেতাকে হয়রানি বা গ্রেফতার করা হবে না এবং নির্দোষ ব্যক্তিদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। প্রশাসনের এমন ইতিবাচক মনোভাবের পরিপ্রেক্ষিতেই শ্রমিক ফেডারেশন তাদের আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়।


আজ সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমার বাবনা পয়েন্টে ফেডারেশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির জরুরি সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সজিব আলীর পরিচালনায় এই সভায় সিলেট জেলার বাস, ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশা ও হিউম্যান হুলারসহ বিভিন্ন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল সিলেটের কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পরিবহন শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহত দুই শ্রমিক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এই জোড়া খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে টার্মিনালের দুই পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করে।


এর মধ্যে একটি মামলায় জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ময়নুল ইসলাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজনসহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৬০ জনকে আসামি করা হয়। অন্যদিকে, দ্বিতীয় মামলায় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিমসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়।


এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান জানান, দুটি মামলাই বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। দোষীদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে।

ডি আর ডি

মন্তব্য করুন: