ফিফা কাউন্সিলের সভা কাল
২০২৬ বিশ্বকাপে বাড়ছে প্রাইজমানি
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের প্রাইজমানি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ৪৮ দলের এই মেগা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য আর্থিক প্রণোদনা ও অংশগ্রহণ ফি বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে সংস্থাটি। আগামী মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কাউন্সিলের সভায় এই নতুন প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।
এর আগে গত ডিসেম্বরে ফিফা জানিয়েছিল, ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য মোট ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার প্রাইজমানি বরাদ্দ করা হয়েছে, যা ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। তবে উত্তর আমেরিকায় যাতায়াত, আবাসন এবং কর সংক্রান্ত অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে অনেক দেশই এই অর্থকে অপর্যাপ্ত বলে দাবি করে আসছিল। বিশেষ করে ইউরোপীয় ফুটবল ইউনিয়ন (উয়েফা) এবং ইংলিশ এফএ-র মতো প্রভাবশালী সংস্থাগুলো অংশ নেওয়া দলগুলোর সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর ফিফা এই বাড়তি বরাদ্দের উদ্যোগ নিয়েছে।
বর্তমানে ফিফা ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের চার বছরের চক্রে তাদের আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ১৩ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করেছে। এই বিশাল আয়ের ওপর ভিত্তি করেই প্রাইজমানি ও উন্নয়ন তহবিল বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসরের চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার এবং রানার্সআপ দলের জন্য ৩৩ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ ছিল। এ ছাড়া গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর জন্য ৯ মিলিয়ন ডলার এবং প্রতিটি দেশের প্রস্তুতি খরচের জন্য ১.৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার কাউন্সিলের সভায় এই অংকগুলো আরও বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
২০২৬ সালের ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এই বিশ্বকাপটি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর হতে যাচ্ছে। ১০৪টি ম্যাচের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে ফিফা তাদের ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের জন্য ‘ফিফা ফরোয়ার্ড’ উন্নয়ন তহবিলের পরিমাণও বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: