সুনামগঞ্জে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সং/ঘ/র্ষ, আহত ৩০

সুনামগঞ্জে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সং/ঘ/র্ষ, আহত ৩০

নিজস্ব প্রতিনিধি, তাহিরপুর

২২/১০/২০২৬ ১১:৪৪:৫০

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের মাটিয়ান গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও সাবেক ইউপি সদস্য কাঁচা মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে নারীসংক্রান্ত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাটিয়ান গ্রামের কাঁচা মিয় মেম্বারের পক্ষের মনসুর মিয়ার ছেলে ইমন আহমেদের (২৩) সঙ্গে নুরুল ইসলাম চেয়ারম্যানের পক্ষের লোকজনের বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।

তবে কয়েক দিন আগে ওই ঘটনা নিয়ে ইমন আহমেদ ফেসবুকে উত্তেজনাপূর্ণ একটি পোস্ট দেন বলে জানা গেছে। এ নিয়ে ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি মন্তব্যের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের উদ্যোগে মঙ্গলবার দুই পক্ষকে নিয়ে সালিশের মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সালিশের পর রাতেই আবার উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জেরে বুধবার সকালে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষের প্রস্তুতি নেন। পরে দুপুরের দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে নুরুল ইসলাম পক্ষের রিফাত মিয়া (২০) এবং কাঁচা মিয়া মেম্বার পক্ষের শাহীনুর মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন।

সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম আখুঞ্জি , মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুই পক্ষের বিরোধ সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা করা হয়েছিল। কিন্তু সালিশের পরও তারা তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আবার বিরোধে জড়ান। রাতে ও বুধবার সকালে আমি তাদের অনেক বুঝিয়েছি, কিন্তু তারা শোনেননি। পরে দুপুরের দিকে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকায় পুলিশের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে ব্যস্ত ছিলেন। মাটিয়ান গ্রামের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রত্না বাউরী/প্রসি-২৬

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad