ভিডিও কাণ্ডে যে কারণে তদন্ত হচ্ছে না শিক্ষিকা বিউটি পালের

সরকারি চাকরিবিধিতে বাধা নেই

ভিডিও কাণ্ডে যে কারণে তদন্ত হচ্ছে না শিক্ষিকা বিউটি পালের

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

২৮/০৭/২০২৬ ১৮:৩৯:৫৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রাণী পালের রিল ভিডিও প্রকাশ নিয়ে চলা বিতর্কের মুখে স্পষ্ট হয়েছে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান। সরকারি বিধিমালায় সুনির্দিষ্ট কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় এবং কোনো নিয়ম লঙ্ঘিত না হওয়ায় এ ঘটনায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইনগত পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ বা ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯’—কোথাও সরকারি কর্মচারীদের ব্যক্তিগত শিল্পচর্চা, নাচ-গান বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

আইনবিজ্ঞানের মৌলিক নীতি অনুযায়ী, যা সুস্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ নয়, তা বৈধ। শিক্ষিকার ভিডিওটি কোনো অশালীনতা ছড়ায়নি, রাষ্ট্রীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেনি কিংবা পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটায়নি। ফলে চাকরির বিধিমালা লঙ্ঘনের কোনো উপাদান না থাকায় এ ঘটনায় কোনো তদন্তের আইনি ভিত্তি অবশিষ্ট থাকে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) সাবেক অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান এবং বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খাইরুন নাহার লিপি মনে করেন, প্রাথমিক শিক্ষায় শিশুমনস্তত্ত্ব বিকাশে 'আনন্দদায়ক শিক্ষা' (Joyful Learning) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষকদের মতে, কোনো সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড যদি দায়িত্ব পালনে ব্যাঘাত না ঘটায় এবং অশালীন না হয়, তবে তা একজন শিক্ষকের সংবিধানপ্রদেয় বাক-স্বাধীনতা ও সৃজনশীল স্বকীয়তারই অংশ।

নীরব চাকলাদার

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad