‘নিখিল বন নন্দনে, জীবন জাগে স্পন্দনে’

সুনামগঞ্জে স্পন্দনের ৩০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

‘নিখিল বন নন্দনে, জীবন জাগে স্পন্দনে’

নিজস্ব প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ

১৫/০৯/২০২৬ ২২:১৪:০১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সাংস্কৃতিক চর্চা ও শিশু কিশোরদের মনন বিকাশের তিন দশক পূর্ণ করল সুনামগঞ্জের অন্যতম শীর্ষ সাংস্কৃতিক সংগঠন স্পন্দন সাংস্কৃতিক সংস্থা ও শিশু সংগঠন। নিখিল বন নন্দনে, জীবন জাগে স্পন্দনে’ এই দূরদর্শী প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাসনরাজা মিলনায়তনে আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে উদযাপিত হয় সংগঠনটির ৩০ বছর পূর্তি।


তিন দশকের দীর্ঘ পথচলা, অর্জন ও স্মৃতি তুলে ধরে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘ত্রিশে স্পন্দন’ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে উৎসবের শুভ সূচনা হয়। এরপর স্থানীয় শিল্পীদের সুমিত উদ্বোধনী সংগীতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন। স্পন্দনের সভাপতি রুনা শাহিন আরা লেইসের সভাপতিত্বে এবং সামির পল্লবের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শ্রাবন্তী পুরকায়স্থ।


আয়োজনে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল ও উত্তরীয় পরিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী অনিরুদ্ধ দাস।


​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য ও উপস্থিতি রেখে প্রদীপ্ত সমর্থন ব্যক্ত করেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি শ্রী রাজেশ ভাটিয়া, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বাদল চন্দ্র বর্মন, জ্যোতিষী চিন্ময় চৌধুরী মিঠুন, সাংবাদিক লতিফুর রহমান রাজু এবং প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক খলিল রহমান।


​এছাড়াও আয়োজনে সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট সংস্কৃতিকর্মী হাফেজা ফেরদৌস, বাবুল আচার্য, সুহেল রানা, সুসেন চন্দ্র, আহসান জামিল আনাসসহ সংগঠনের সদস্য ও সুধীজনেরা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন।


অনুষ্ঠানে গুণীজন ও পৃষ্ঠপোষকদের হাতে স্পন্দনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। বিশেষ সম্মাননা ও শুভেচ্ছা স্মারক গ্রহণ করেন সৈয়দ আশিকুর রহমান আশিক, শ্রীমতি অরুনিমা দাস ও চয়নিকা দাস।


​দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সংগীত পরিবেশন করেন প্রতিশ্রুতিশীল কণ্ঠশিল্পী অনন্য অগ্নী মল্লিক, সৌরভ দাস, মুবিন আহমেদ, মাকছুদুর রহমান দীপু, পূর্বা দে ও প্রিয়ন্তী দাস। শিল্পীদের পরিবেশিত কালজয়ী ও সুরেল গানের ঝরনাধারায় পুরো মিলনায়তন জুড়ে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজকেরা জানান, অপসংস্কৃতি রোধ এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার ধারা অব্যাহত রাখতে স্পন্দন আগামী দিনগুলোতেও তাদের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।


প্রীতম দাস/ তাহির আহমদ

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad