সিলেটে মহিলা কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশ লঙ্ঘনের অভিযোগ
Led Bottom Ad

সিলেটে মহিলা কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশ লঙ্ঘনের অভিযোগ

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

২৪/০৪/২০২৬ ১৭:৪৫:১৫

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেটের মইন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজের এক প্রভাষককে চাকরিতে পুনর্বহাল নিয়ে অধ্যক্ষ মো. আবিদুর রহমানের বিরুদ্ধে টালবাহানা ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনইউ) নির্দেশনা অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষক মাহবুবুর রউফ নয়নকে স্বপদে ফেরানোর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক চিঠি আমল না দেওয়ার পাশাপাশি ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নিয়োগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই শিক্ষক।

জানা গেছে, ২০১৯ সালে প্রভাষক মাহবুবুর রউফ নয়নকে কলেজ থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এরপর তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আপিল এবং উচ্চ আদালতে রিট করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ওই বছরই তাঁকে পুনর্বহালের নির্দেশ দিলেও তৎকালীন অধ্যক্ষ গিয়াসউদ্দিন তা কার্যকর করেননি। পরবর্তী সময়ে বর্তমান অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নয়নকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে পুনর্বহালের চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রভাষক নয়নের অভিযোগ, ওই সময় তিনি উচ্চশিক্ষার্থে যুক্তরাজ্যে থাকায় অধ্যক্ষ চিঠির বিষয়টি গোপন করেন। বর্তমানে ইংরেজি বিভাগীয় প্রধানের পদ শূন্য হলে সিনিয়রিটি অনুযায়ী নয়নের নাম আসার কথা থাকলেও তাঁর পরিবর্তে এক জুনিয়র সহকর্মীকে নিয়োগ দিতে অধ্যক্ষ মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মো. আবিদুর রহমান তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "পুনর্বহালের বিষয়টি কলেজ পরিচালনা পরিষদ (গভর্নিং বডি) দেখছে, এখানে আমার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই। কোনো চিঠি গোপন করা হয়নি, গভর্নিং বডি এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে অবহিত করেছে।" তিনি আরও দাবি করেন, যেহেতু নয়ন এখনো কলেজে যোগ দেননি, তাই অন্য একজনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক মো. নাজিম উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনার আলোকে অধ্যক্ষকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। নতুন করে পাওয়া আবেদনটি বর্তমানে আইন শাখার মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছে।

কলেজের পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান লোদী কয়েস জানান, নতুন গভর্নিং বডির দুটি সভা হলেও সেখানে প্রভাষক নয়নের বিষয়টি কেউ উপস্থাপন না করায় কোনো আলোচনা সম্ভব হয়নি। জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন ও আদালতের আদেশ উপেক্ষা করার এই ঘটনায় কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad