সেনাবাহিনীর সাথে সংঘর্ষ
সুনামগঞ্জে গুলাগুলিকালে নিহত ১, অস্ত্রসহ আটক ৪
দিরাই’র হাওরাঞ্চলের হাতিয়ায় সেনাবাহিনী ও অস্ত্রধারীদের গোলাগুলির ঘটনার পর একটা একনলা বন্দুক, ৪ টা পাইপগান, ৬ টা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, বন্দুকের গুলি, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (২২ জুন) বিকাল থেকে হাতিয়ার গাধিয়ালা এলাকায় সেনাবাহিনী ও অস্ত্রধারী গোলাগুলি হয়। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে আবু সাঈদ নামের একজনের মৃতদেহ পাওয়া যায়। এরপর রাতভর যৌথবাহিনি অভিযান চালায় ওখানে। আজ সোমবার (২৩ জুন) সকাল নয়টায় অভিযান শেষ করা হয় বলে জানান একজন সেনা কর্মকর্তা।
এর আগে সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা রাতে জানিয়েছিলেন, দিরাইয়ের হাতিয়া এলাকায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুটি পক্ষ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে গত ২০ জুন গোলাগুলি করে। এরা প্রায়ই অবৈধ অস্ত্রের স্শস্ত্র মহড়া দেয়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ওখানে অভিযান পরিচালনা করতে গেলে আওয়ামী লীগ নেতা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান একরার হোসেনের সমর্থকরা সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনীও গুলি চালায়। একপর্যায়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা বিচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এসময় ঘটনাস্থলে আবু সাঈদ নামের একজনের লাশ পাওয়া গেলেও সে কার গুলিতে মারা গেছে তাৎক্ষণিক নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এরপর অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ধরতে রাতভর অভিযান চলে ওখানে। এসব তথ্য জানিয়ে ওই সেনা কর্মকর্তা বলেছেন, আভিযানিক দল ঘটনাস্থল থেকে ফেরার পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
নীরব চাকলাদার
মন্তব্য করুন: