হবিগঞ্জবাসীর বিদ্যুৎবিহীন নির্ঘুমরাত

১৪ ঘন্টা পর বিদ্যুতের দেখা

হবিগঞ্জবাসীর বিদ্যুৎবিহীন নির্ঘুমরাত

ফয়সল চৌধুরী,হবিগঞ্জ

০১/০৮/২০২৫ ১৪:৫৩:৫৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

একটানা সাড়ে ১৪ ঘন্টা হবিগঞ্জ শহরসহ জেলার অধিকাংশ এলাকা ছিল বিদ্যুৎবিহীন। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ৭টা থেকে শাহজীবাজার পাওয়ার গ্রিডে অগ্নিকাণ্ডের ফলে বাহুবল উপজেলা ব্যতিত হবিগঞ্জের বাকী ৮ উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। আজ শুক্রবার (১ আগস্ট) সকাল ১০টায় হবিগঞ্জ শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। তবে এ রিপোর্ট লেখার সময় (দুপুর ১২ টায়) জেলার কয়েকটি উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।  


শাহজীবাজার পাওয়ার গ্রিডে অগ্নিকাণ্ডের কারণে একটি সার্কিট ব্রেকার ও তিনটি ট্রান্সফরমার পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সহকারী প্রকৌশলী তাফসির বিন বাশার। যার আনুমানিক মূল্য কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকা। এরফলে ৫ লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। এছাড়াও পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুতেরও ক্ষতি হয়েছে। যার হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি।


শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার আরিফুল ইসলাম বলেন- শাহজীবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ৪ ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে আমাদের প্রায় আধা ঘণ্টা ষময় লেগেছে। 


এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পাশাপাশি হবিগঞ্জে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। একপর্যায়ে রাত ১০টার পর থেকেই সূনসান হয়ে উঠৈ হবিগঞ্জ শহর। যান চলাচল ও দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। টানা বিদ্যুৎহীনতার কারণে হবিগঞ্জ থেকে ১০টি সংবাদপত্র প্রকাশ হয়নি। অটোরিক্সর চার্জ না দেয়ার কারণে আজ শুক্রবার শহরের রাস্তা ছিল প্রায় ফাঁকা। এর মধ্যে যেগুলো চলছে , সেগুলো দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছে। 


শহরবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়- বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ চলে যাবার পর থেকে কখন আসবে, এই অপেক্ষায় পুরো রাত পার করতে হয়েছে। মুঠোফোন, আইপিএসসহ চার্জ দ্বারা চালিত ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। ভোরের দিকে মোবাইলের নেটওয়ার্কও ডাউন হয়ে যায়। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকে। মোটামুটি বিদ্যুৎবিহীন এক সূনসান রাত পার করলো হবিগঞ্জবাসী।


মীর্জা ইকবাল

মন্তব্য করুন: