জৈন্তাপুরে পশুর হাটে গরুর সংকট, ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়

জৈন্তাপুরে পশুর হাটে গরুর সংকট, ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিনিধি, জৈন্তাপুর

২৭/০৫/২০২৬ ১৯:১৭:৩৫

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসার মুখে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার পশুর হাটগুলোতে তীব্র পশুর সংকট দেখা দিয়েছে। মাত্র কয়েক দিন আগেও যেখানে সাশ্রয়ী মূল্যে গরু কেনাবেচা হয়েছে, সেখানে আজ বুধবার (২৭ মে) দুপুরের পর থেকে হাটগুলো প্রায় গরুশূন্য হয়ে পড়েছে। ফলে শেষ মুহূর্তে এসে কোরবানির পশু কিনতে চরম বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। পছন্দসই বা বাজেট অনুযায়ী কোনো গরুই পাচ্ছেন না অনেকে।


বুধবার সরেজমিন জৈন্তাপুর উপজেলা সদর, দরবস্ত বাজার, হরিপুর বাজার, আসামপাড়া বাজার এবং চিকনাগুলের অস্থায়ী পশুর হাট ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। প্রতিটি হাটে পশুর তুলনায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। একটি হাটে গরু না পেয়ে অনেক ক্রেতাকে এক বাজার থেকে অন্য বাজারে ছোটাছুটি করতে দেখা যায়।


হঠাৎ বাজার এভাবে খালি হয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে স্থানীয় পশু ব্যবসায়ীরা জানান, যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হওয়ায় জৈন্তাপুরের হাটগুলোতে স্থানীয় ক্রেতাদের পাশাপাশি সিলেট শহরের ক্রেতাদের বড় ধরনের সমাগম ঘটে। বিশেষ করে চিকনাগুল ও হরিপুর বাজারের বেশির ভাগ ক্রেতাই সিলেট শহর থেকে আসেন। এরপর তারা দরবস্ত এবং জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের বাজারে ভিড় জমান। এছাড়া বৃহত্তর বাজার হিসেবে বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পার্শ্ববর্তী গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট উপজেলার বিপুলসংখ্যক ক্রেতা এখানে এসে পশু ক্রয় করেছেন। অতিরিক্ত চাহিদার কারণেই মূলত শেষ মুহূর্তে এই সংকট তৈরি হয়েছে।


তবে গরুর তীব্র সংকট থাকলেও বাজারগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল সন্তোষজনক। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ক্রেতা-বিক্রেতারা লেনদেন করতে পেরেছেন। উপজেলা প্রশাসন এবং জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশকে সার্বক্ষণিকভাবে হাটগুলো মনিটরিং করতে দেখা গেছে।


কোরবানির ঈদের বাকি সময়টুকুও যাতে উপজেলার প্রতিটি হাটে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পশু ক্রয়-বিক্রয় করতে পারেন, এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

ডি আর ডি

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad